بيسما اشتروا به انفسهم ان يكفروا بما انزل الله بغيا ان ينزل الله من فضله على من يشاء من عباده فباءوا بغضب على غضب وللكافرين عذاب مهين ٩٠
بِئْسَمَا ٱشْتَرَوْا۟ بِهِۦٓ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُوا۟ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بَغْيًا أَن يُنَزِّلَ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ ۖ فَبَآءُو بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍۢ ۚ وَلِلْكَـٰفِرِينَ عَذَابٌۭ مُّهِينٌۭ ٩٠
بِئْسَمَا
اشْتَرَوْا
بِهٖۤ
اَنْفُسَهُمْ
اَنْ
یَّكْفُرُوْا
بِمَاۤ
اَنْزَلَ
اللّٰهُ
بَغْیًا
اَنْ
یُّنَزِّلَ
اللّٰهُ
مِنْ
فَضْلِهٖ
عَلٰی
مَنْ
یَّشَآءُ
مِنْ
عِبَادِهٖ ۚ
فَبَآءُوْ
بِغَضَبٍ
عَلٰی
غَضَبٍ ؕ
وَلِلْكٰفِرِیْنَ
عَذَابٌ
مُّهِیْنٌ
۟
3

অভিশাপের উপর অভিশাপভাবার্থ এই যে,ঐ ইয়াহদীরা-যারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সত্যতা স্বীকারের পরিবর্তে তাঁকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করে এবং তাঁর প্রতি ঈমান আনার পরিবর্তে কুফরী করে, তাকে সাহায্য করার পরিবর্তে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ ও শত্রুতা করে; আর এর কারণে তারা নিজেদেরকে আল্লাহর যে রোষানলে নিক্ষেপ করেছে তা অত্যন্ত জঘন্য জিনিস, যা তারা উত্তম জিনিসের পরিবর্তে গ্রহণ করেছে। ওর কারণ শুধুমাত্র হিংসা বিদ্বেষ, অহংকার ও অবাধ্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের মধ্য হতে না হয়ে আরবদের মধ্য হতে হয়েছিলেন বলেই তারা মুখ তুলে বসে পড়ে। অথচ আল্লাহর উপরে পরম বিচারক আর কেউ নেই। রিসালাতের হকদার কে তা তিনি ভালভাবেই জানেন। তিনি তার দান ও অনুগ্রহ স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছে তাকেই দিয়ে থাকেন। সুতরাং এক তো তাওরাতের নির্দেশাবলী মান্য না করার কারণে তাদের উপর আল্লাহর গযব ছিলই, এখন রাসূলুল্লাহ (সঃ)কে অস্বীকার করার কারণে তাদের উপর দ্বিতীয় গযব নেমে আসে। কিংবা এটাও হতে পারে যে, প্রথম গযব হয় হযরত ঈসা (আঃ)কে না মানার কারণে এবং দ্বিতীয় গযব হয় হযরত মুহাম্মদ (সঃ)কে না মানার কারণে। অথবা প্রথম গ্যব হয় বাছুর পূজার কারণে এবং দ্বিতীয় গযব হয় হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ করার কারণে।তারা হিংসা-বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নবুওয়াতকে অস্বীকার করেছিল এবং এ হিংসা বিদ্বেষের প্রকৃত কারণ তাদের অংহকার। এ জন্যেই তাদেরকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করা হয়েছিল, যেন পারে পূর্ণ প্রতিদান হয়ে যায়। আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ “নিশ্চয় যারা আমার ইবাদতের ব্যাপারে অহংকার করে তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।' রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “কিয়ামতের দিন অহংকারী লোকদেরকে মানুষের আকারে পিপড়ার ন্যায় উঠানো হবে, তাদেরকে সমস্ত জিনিস দলিত মথিত করে চলে যাবে এবং তাদেরকে জাহান্নামের ধূস' নামক কয়েদখানার মধ্যে নিক্ষেপ করা হবে- যে স্থানের আগুন অন্য আগুন অপেক্ষা অধিক তাপ বিশিষ্ট হবে। আর তাদেরকে জাহান্নামের রক্ত, পুঁজ ইত্যাদি পান করানো হবে।'