يا ايها الذين امنوا انفقوا مما رزقناكم من قبل ان ياتي يوم لا بيع فيه ولا خلة ولا شفاعة والكافرون هم الظالمون ٢٥٤
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَـٰكُم مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا بَيْعٌۭ فِيهِ وَلَا خُلَّةٌۭ وَلَا شَفَـٰعَةٌۭ ۗ وَٱلْكَـٰفِرُونَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ ٢٥٤
یٰۤاَیُّهَا
الَّذِیْنَ
اٰمَنُوْۤا
اَنْفِقُوْا
مِمَّا
رَزَقْنٰكُمْ
مِّنْ
قَبْلِ
اَنْ
یَّاْتِیَ
یَوْمٌ
لَّا
بَیْعٌ
فِیْهِ
وَلَا
خُلَّةٌ
وَّلَا
شَفَاعَةٌ ؕ
وَالْكٰفِرُوْنَ
هُمُ
الظّٰلِمُوْنَ
۟
3

আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তারা যেন সুপথে নিজেদের মাল খরচ করে, তাহলে আল্লাহর নিকট তার পুণ্য জমা থাকবে। অতঃপর বলেন যে, তারা যেন তাদের জীবদ্দশাতেই কিছু দান-খয়রাত করে। কেননা কিয়ামতের দিন না ক্রয়-বিক্রয় চলবে, না পৃথিবী পরিমাণ সোনা দিয়ে জীবন রক্ষা করা যাবে না কারও বংশ, বন্ধুত্ব ও ভালবাসা কোন কাজে আসবে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে সে দিন না তাদের মধ্যে বংশ পরিচয় থাকবে, না একে অপরের অবস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করবে।' (২৩:১০১) সেদিন সুপারিশকারীর সুপারিশ কোন কাজে আসবে না।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, কাফিরেরাই অত্যাচারী। অর্থাৎ পূর্ণ অত্যাচারী তারাই যারা কুফরের অবস্থাতেই আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাৎ করে। হযরত আতা বিন দীনার (রঃ) বলেন, “আমি মহান আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যে, তিনি কাফিরদেরকে অত্যাচারী বলেছেন কিন্তু অত্যাচারীদেরকে কাফির বলেননি।