78:31 ile 78:36 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz
ان للمتقين مفازا ٣١ حدايق واعنابا ٣٢ وكواعب اترابا ٣٣ وكاسا دهاقا ٣٤ لا يسمعون فيها لغوا ولا كذابا ٣٥ جزاء من ربك عطاء حسابا ٣٦
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ٣١ حَدَآئِقَ وَأَعْنَـٰبًۭا ٣٢ وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًۭا ٣٣ وَكَأْسًۭا دِهَاقًۭا ٣٤ لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًۭا وَلَا كِذَّٰبًۭا ٣٥ جَزَآءًۭ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًۭا ٣٦
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৩১-৩৬ নং আয়াতের তাফসীরপরহেযগার ও পুণ্যবানদের জন্যে আল্লাহর নিকট যেসব নিয়ামত ও রহমত রয়েছে সে সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বল আলামীন বলছেন যে, এই লোকগুলো হলো সফলকাম। এদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়েছে এবং এরা জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ লাভ করে জান্নাতে পৌঁছে গেছে।(আরবি) বলা হয় খেজুর ইত্যাদির বাগানকে। এই পুণ্যবান ও পরহেযগার লোকগুলো উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী অর্থাৎ হূর লাভ করবে, যারা হবে উঁচু ও স্ফীত বক্ষের অধিকারিণী এবং সমবয়স্কা। যেমনঃ সূরায়ে ওয়াকিআ'র তাফসীরে এর পূর্ণ বর্ণনা গত হয়েছে।হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ নিশ্চয়ই জান্নাতীদের গায়ের) জামাগুলো আল্লাহর সন্তুষ্টিরূপে প্রকাশিত হবে। তাদের উপর মেঘমালা ছেয়ে যাবে এবং তাদেরকে ডাক দিয়ে বলা হবে “হে জান্নাতবাসিগণ! তোমরা কি চাও যে, আমি তোমাদের উপর তা বর্ষণ করি?" (অতঃপর তারা যা কিছু চাইবে তা-ই তাদের উপর বর্ষিত হবে) এমন কি তাদের উপর সমবয়স্কা উদভিন্ন যৌবনা তরুণীও বর্ষিত হবে। (এ হাদীসটি ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)তারা পবিত্র শরাবের উপচে পড়া পেয়ালা একটির পর একটি লাভ করবে। তাতে এমন কোন নেশা হবে না যে, অশ্লীল ও অর্থহীন কথা তাদের মুখ দিয়ে বের হবে যা অন্য কেউ শুনতে পাবে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “তথায় থাকবে না কোন অসার ও পাপের কথা ।” অর্থাৎ তাতে কোন অর্থহীন বাজে কথা এবং অশ্লীল ও পাপের কথা প্রকাশ পাবে না। সেটা হলো দারুস সালাম বা শান্তির ঘর। যেখানে কোন দূষণীয় বা মন্দ কথাই প্রকাশ পাবে না। পুণ্যবানদেরকে এসব নিয়ামত তাদের সৎ কর্মের বিনিময় হিসেবে আল্লাহ তাআলা দান করবেন। এটা হলো মহান আল্লাহর অশেষ করুণা ও রহমত। আল্লাহ পাকের এই করুণা ও অনুগ্রহ সীমাহীন, ব্যাপক ও পরিপূর্ণ। আরবরা বলে থাকেঃ(আরবি) অর্থাৎ “তিনি আমাকে ইনআম দিয়েছেন এবং পরিপূর্ণরূপেই দিয়েছেন। অনুরূপভাবে বলা হয়ঃ (আরবি) অর্থাৎ “সর্বদিক দিয়ে আল্লাহই আমার জন্যে যথেষ্ট।”