হযরত উছমান (রাঃ) বলেনঃ “এই আয়াতটি আমাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ। হয়। আমাদেরকে বিনা কারণে আমাদের দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। অতঃপর মহান আল্লাহ আমাদেরকে সাম্রাজ্য ও রাজত্ব দান করেন। আমরা নামায কায়েম করি, রোযা রাখি এবং মানুষকে ভাল কাজের আদেশ করি ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করি ও বিরত রাখি। সুতরাং এই আয়াত আমার এবং আমার সঙ্গীদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়।আবুল আলিয়া (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা রাসূলুল্লাহর (সঃ) সাহাবীদেরকে বুঝানো হয়েছে।রাসূলের (সঃ) খলীফা হযরত উমার ইবনু আবদিল আযীয (রঃ) স্বীয় খুৎবায় এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন। অতঃপর বলেনঃ “এই আয়াতে শুধুমাত্র বাদশাহদের বর্ণনা নেই। বরং এতে বাদশাহ্ ও প্রজা উভয়েরই বর্ণনা রয়েছে। বাদশাহর উপর তো দায়িত্ব এই যে, তিনি রাবরই আল্লাহর হক তোমাদের নিকট থেকে আদায় করবেন। তার হকের ব্যাপারে তোমরা অবহেলা করলে তিনি তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন। আর একজনের হক অপরের নিকট হতে আদায় করে দিবেন এবং সাধ্যমত তোমাদেরকে সরল সঠিক পথ প্রদর্শন করবেন। তোমাদের উপর তার হক এই যে, প্রকাশ্যে ও গোপনে সন্তুষ্ট চিত্তেও তোমরা তাঁর আনুগত্য করবে।”আতিয়্যাহ (রঃ) বলেনঃ “এই আয়াতেরই অনুরূপ ভাব নিম্নের আয়াতেও রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “যারা ঈমান আনে ও ভাল কাজ করে তাদের সাথে আল্লাহ ওয়াদা করেছেন যে, তিনি তাদেরকে যমীনে খলীফা বানিয়ে দিবেন।" (২৪:৫৫)মহান আল্লাহ বলেনঃ সব কাজের পরিণাম আল্লাহরই ইখতিয়ারে। খোদাভীরু লোকদের পরিণাম ভাল হবে। তাদের প্রত্যেক পুণ্যের বিনিময় তাঁর কাছেই রয়েছে।