คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 16:26 ถึง 16:27
قد مكر الذين من قبلهم فاتى الله بنيانهم من القواعد فخر عليهم السقف من فوقهم واتاهم العذاب من حيث لا يشعرون ٢٦ ثم يوم القيامة يخزيهم ويقول اين شركايي الذين كنتم تشاقون فيهم قال الذين اوتوا العلم ان الخزي اليوم والسوء على الكافرين ٢٧
قَدْ مَكَرَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَأَتَى ٱللَّهُ بُنْيَـٰنَهُم مِّنَ ٱلْقَوَاعِدِ فَخَرَّ عَلَيْهِمُ ٱلسَّقْفُ مِن فَوْقِهِمْ وَأَتَىٰهُمُ ٱلْعَذَابُ مِنْ حَيْثُ لَا يَشْعُرُونَ ٢٦ ثُمَّ يَوْمَ ٱلْقِيَـٰمَةِ يُخْزِيهِمْ وَيَقُولُ أَيْنَ شُرَكَآءِىَ ٱلَّذِينَ كُنتُمْ تُشَـٰٓقُّونَ فِيهِمْ ۚ قَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ إِنَّ ٱلْخِزْىَ ٱلْيَوْمَ وَٱلسُّوٓءَ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ ٢٧
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

২৬-২৭ নং আয়াতের তাফসীর আওফী (রঃ) হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, চক্রান্তকারী দ্বারা নমরূদকে বুঝানো হয়েছে, যে একটি বিরাট প্রাসাদ নির্মাণ করেছিল। যমীনে সর্বপ্রথম সবচেয়ে বড় ঔদ্ধত্যপনা সেই দেখিয়েছিল। তাকে। ধ্বংস করার জন্যে আল্লাহ তাআলা একটা মশাকে পাঠিয়েছিলেন, যে তার নাকের ছিদ্র দিয়ে তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করে এবং চারশ’ বছর পর্যন্ত তার মস্তিষ্ক চাটতে থাকে। এই সুদীর্ঘ সময়কালে এ সময় সে কিছুটা শান্তি লাভ করতো যখন তার মস্তকে হাতুড়ি দ্বারা আঘাত করা হতো। চারশ’ বছর পর্যন্ত সে রাজ্য শাসনও করেছিল। ভূ-পৃষ্ঠে সে ফাসাদ ও বিশৃংখলা সৃষ্টি করেছিল। অন্যেরা বলেন, এর দ্বারা বুখতে নাসারকে বুঝানো হয়েছে। সেও বড় চক্রান্তকারী ছিল। কিন্তু তার চক্রান্ত যদি পাহাড়কেও ওর স্থান থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয় তবুও মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহর তাতে কি আসে যায়? তার ক্ষতি সাধনের ক্ষমতা কারো নাই। কেউ কেউ বলেন, কাফির ও মুশরিকরা যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে গায়রুল্লাহর ইবাদত করছে, এটা তাদের আমল বিনষ্ট হওয়ারই দৃষ্টান্ত। যেমন হযরত নূহ (আঃ) বলেছিলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তারা ভয়ানক ও বড় রকমের ষড়যন্ত্র করেছিল।” (৭১:২২) তারা সর্বপ্রকারের কৌশল অবলম্বন করে জনগণকে পথ ভ্রষ্ট করেছিল এবং তাদেরকে শিরকের কাজে উত্তেজিত করেছিল। তাই, কিয়ামতের দিন তাদের অনুসারীরা তাদেরকে বলবেঃ “বরং তোমাদের দিন রাতের চক্রান্ত (আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল), যখন তোমরা আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যে, আমরা যেন আল্লাহর সাথে কুফরী করি এবং তার জন্যে শরীক স্থাপন করি।”মহান আল্লাহ বলেনঃ “আল্লাহ তাদের ইমারতের ভিত্তিমূলে আঘাত করেছিলেন। ফলে, ইমারাতের ছাদ তাদের উপর ধ্বসে পড়লো। যেমন আল্লাহ তাআলার উক্তিঃ (আরবি) অর্থাৎ “যখনই তারা যুদ্ধের অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করার ইচ্ছা করে তখনই আল্লাহ তা নিবিয়ে দেন।” (৫:৬৪) আল্লাহপাক আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ তাদের উপর শাস্তি এমন এক দিক হতে আসলো যা ছিল তাদের ধারণাতীত এবং তাদের অন্তরে তা ত্রাসের সঞ্চার করলো; ওরা ধ্বংস করে ফেলল নিজেদের বাড়ী-ঘর নিজেদের হাতে এবং মুমিনদের হাতেও অতএব, হে চক্ষুষ্মন ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।” (৫৯:২) আর এখানে। মহান আল্লাহ বলেনঃ “আল্লাহ তাদের ইমারতের ভিত্তিমূলে আঘাত করলেন, ফলে ইমারতের ছাদ তাদের উপর ধ্বসে পড়লো এবং তাদের উপর শাস্তি আসলো এমন দিক হতে যা ছিল তাদের ধারণার অতীত। .কিয়ামতের দিনের লাঞ্ছনা ও অপমান এখনও বাকী রয়েছে। ঐ সময় গোপনীয় সবকিছু প্রকাশিত হয়ে পড়বে এবং ভিতরের সবকিছু বের হয়ে যাবে। সেইদিন সমস্ত ব্যাপার উদঘাটিত হয়ে পড়বে।হযরত ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ)। বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্যে তার পার্শ্বে তার বিশ্বাসঘাতকতা অনুযায়ী একটি পতাকা স্থাপন করা হবে এবং ঘোষণা করে দেয়া হবেঃ ‘এটা হচ্ছে অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতা।” (এই হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)অনুরূপভাবে এই লোকদেরকেও হাশরের ময়দানে সকলের সামনে অপদস্থ করা হবে। তাদেরকে তাদের প্রতিপালক ধমকের সুরে জিজ্ঞেস করবেনঃ “আজ কোথায় আমার সেই সব শরীক যাদের সম্বন্ধে তোমরা বাক বিতণ্ডা করতে? তারা আজ তোমাদের সাহায্য করছেন না কেন? আজ তোমরা বন্ধুও সহায়কহীন অবস্থায় রয়েছো কেন?” তারা এই প্রশ্নের উত্তরে নীরব হয়ে যাবে। তারা হয়ে যাবে সেই দিন সম্পূর্ণরূপে নিরোত্তর ও অসহায়। কি মিথ্যা দলীল তারা উপস্থাপন করবে। এ সময় যে সব আলেম দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহ এবং তাঁর সৃষ্টজীবের কাছে সম্মানের পাত্র, তাঁরা বলবেনঃ “লাঞ্ছনা ও শাস্তি আজ কাফিরদেরকে পরিবেষ্টন করে রয়েছে এবং তাদের বাতিল উপাস্যরা তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।”