Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 7:80 hingga 7:81
ولوطا اذ قال لقومه اتاتون الفاحشة ما سبقكم بها من احد من العالمين ٨٠ انكم لتاتون الرجال شهوة من دون النساء بل انتم قوم مسرفون ٨١
وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَتَأْتُونَ ٱلْفَـٰحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍۢ مِّنَ ٱلْعَـٰلَمِينَ ٨٠ إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلرِّجَالَ شَهْوَةًۭ مِّن دُونِ ٱلنِّسَآءِ ۚ بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌۭ مُّسْرِفُونَ ٨١
وَلُوْطًا
اِذْ
قَالَ
لِقَوْمِهٖۤ
اَتَاْتُوْنَ
الْفَاحِشَةَ
مَا
سَبَقَكُمْ
بِهَا
مِنْ
اَحَدٍ
مِّنَ
الْعٰلَمِیْنَ
۟
اِنَّكُمْ
لَتَاْتُوْنَ
الرِّجَالَ
شَهْوَةً
مِّنْ
دُوْنِ
النِّسَآءِ ؕ
بَلْ
اَنْتُمْ
قَوْمٌ
مُّسْرِفُوْنَ
۟
3

৮০-৮১ নং আয়াতের তাফসীর: ‘ঐ সময়টিও স্মরণযোগ্য যখন আমি (আল্লাহ) লুত (আঃ)-কে নবীরূপে প্রেরণ করেছিলাম । সে তার কওমকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেছিল। লুত (আঃ) ছিলেন নূত ইবনে হারূন ইবনে আযর। তিনি হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ (আঃ)-এর ভ্রাতুস্পুত্র ছিলেন। হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর সাথে তিনিও ঈমান আনয়ন করেছিলেন এবং তাঁর সাথে সিরিয়ার দিকে হিজরত করেছিলেন। আল্লাহ তা'আলা তাঁকে আহলে সুদূমের নিকট পাঠিয়েছিলেন। তিনি সুদূমবাসীকে আল্লাহর দিকে ডাকতেন এবং সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করতেন। তারা এমন নির্লজ্জতাপূর্ণ কাজের আবিষ্কার করেছিল যা হযরত আদম (আঃ) থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত তাদের ছাড়া অন্য কোন জাতি সেই কাজে লিপ্ত হয়নি। তারা নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষদের কাছে কু-কাজের জন্যে আসতো। এ কাজের কল্পনা আজ পর্যন্ত কারো মনেও জাগ্রত হয় নি এবং আজ পর্যন্ত বানী আদম এ কাজে কখনও জড়িত হয়নি। জামে’ দামেশকের প্রতিষ্ঠাতা উমাইয়া খলীফা ওয়ালীদ ইবনে আব্দুল মালিক বলেছিলেনঃ “যদি আল্লাহ তা'আলা কুরআন কারীমে লূত সম্প্রদায়ের ঘটনা বর্ণনা না করতেন তবে আমার এ বিশ্বাসই হতো না যে, কোন পুরুষ তাক অন্য কোন পুরুষ লোকের সাথে এরূপ কাজ করতে পারে!” সুতরাং হযরত লুত (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়কে সম্বোধন করে বললেনঃ “তোমরা এমন অশ্লীল ও কুকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছে যে কাজ তোমাদের পূর্বে বিশ্বে আর কেউই করে নি। তোমরা নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষ লোকদের কাছে আসছে এবং তাদের দ্বারা নিজেদের যৌন ক্রিয়া নিবারণ করে নিচ্ছো? বাস্তবিকই এটা তোমাদের সীমালংঘন ও বড় রকমের অজ্ঞতাই বটে! যে জিনিসের যেটা স্থান নয় তোমরা ওকে ওরই স্থান বানিয়ে নিচ্ছো।” এরপর অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক (হযরত লুতের আঃ কথা নকল করে) বলেনঃ “এরা আমার কন্যা যার সাথে চাও সম্পর্ক স্থাপন কর।” তারা বললোঃ “(হে নূত আঃ)! তুমি তো জান যে, তোমার এই পার্থিব কন্যাদের কোনই প্রয়োজন আমাদের নেই। যাদের প্রয়োজন আমাদের রয়েছে তা তোমার জানা আছে।” মুফসিরগণ বর্ণনা করেছেন যে, পুরুষ নিজের প্রয়োজন পুরুষ দ্বারা পূর্ণ করে নিতো এবং নারীরাও তাদের প্রয়োজন নারীদের দ্বারাই পূর্ণ করে নিতো। আর ওটা ছাড়া তাদের কোন উপায়ও ছিল না।