Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 3:33 hingga 3:34
۞ ان الله اصطفى ادم ونوحا وال ابراهيم وال عمران على العالمين ٣٣ ذرية بعضها من بعض والله سميع عليم ٣٤
۞ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصْطَفَىٰٓ ءَادَمَ وَنُوحًۭا وَءَالَ إِبْرَٰهِيمَ وَءَالَ عِمْرَٰنَ عَلَى ٱلْعَـٰلَمِينَ ٣٣ ذُرِّيَّةًۢ بَعْضُهَا مِنۢ بَعْضٍۢ ۗ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ ٣٤
اِنَّ
اللّٰهَ
اصْطَفٰۤی
اٰدَمَ
وَنُوْحًا
وَّاٰلَ
اِبْرٰهِیْمَ
وَاٰلَ
عِمْرٰنَ
عَلَی
الْعٰلَمِیْنَ
۟ۙ
ذُرِّیَّةً
بَعْضُهَا
مِنْ
بَعْضٍ ؕ
وَاللّٰهُ
سَمِیْعٌ
عَلِیْمٌ
۟ۚ
3

৩৩-৩৪ নং আয়াতের তাফসীর: অর্থাৎ এ মহামানবগণকে আল্লাহ তা'আলা সারা বিশ্বের উপর মনোনীত করেছেন। হযরত আদম (আঃ)-কে তিনি স্বহস্তে সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে স্বীয় রূহ প্রবেশ করিয়েছেন, তাঁকে সমস্ত জিনিসের নাম বলে দিয়েছেন, তাঁকে জান্নাতে বাস করিয়েছেন এবং স্বীয় নৈপুণ্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে আঁকে পৃথিবীতে নামিয়ে দেন। যখন সারা জগত প্রতিমা পূজায় ছেয়ে যায় তখন হযরত নূহ (আঃ)-কে প্রথম রাসূল রূপে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন। অতঃপর যখন তার গোত্র তাঁর অবাধ্য হয়ে যায় এবং তাঁর হিদায়াতের উপর আমল করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তখন তিনি রাতদিন প্রকাশ্য ও গোপনে তাদেরকে আল্লাহ তা'আলার দিকে আহ্বান করতে থাকেন, কিন্তু তারা কোনমতেই তাঁর কথায় কর্ণপাত করে না। তখন আল্লাহ তা'আলা হযরত নূহ (আঃ)-এর অনুসারীগণ ছাড়া অন্য সকলকে স্বীয় পানির শাস্তি অর্থাৎ বিখ্যাত নূহের তুফানে’ ডুবিয়ে দেন। হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশকে আল্লাহ তা'আলা মনোনয়ন দান করেন। তারশংশেই মানব জাতির নেতা এবং নবীদের (আঃ) সমাপ্তকারী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সঃ) জন্মগ্রহণ করেন। ইমরান (আঃ)-এর বংশকেও তিনি মনোনীত করেন। ইমরান হযরত ঈসা (আঃ)-এর জননী হযরত মারইয়াম (আঃ)-এর পিতার নাম। মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক (রঃ)-এর উক্তি অনুসারে তার বংশলতা নিম্নরূপঃ ইমরান ইবনে হাশিম ইবনে মীশা ইবনে হিযকিয়া ইবনে ইবরাহীম ইবনে গারইয়া ইবনে নাওশ ইবনে আযর ইবনে বাহওয়া ইবনে মুকাসিত ইবনে আয়শা ইবনে আইয়াম ইবনে সুলায়মান (আঃ) ইবনে দাউদ (আঃ)। সুতরাং হযরত ঈসা (আঃ) হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশধর। এর বিস্তারিত বর্ণনা ইনশাআল্লাহ সূরা-ই-আনআমের তাফসীরে আসবে।