ইবনে আব্বাস (রাঃ), সুদ্দী (রঃ), মুজাহিদ (রঃ), ইকরামা (রঃ) যহাক (রঃ), কাতাদা (রঃ) এবং মুকাতিল ইবনে হাইয়ান (রঃ) প্রমুখ মনীষীগণ বলেন। যে, (আরবী)-এর অর্থ হচ্ছে (আরবী) অর্থাৎ বের হওয়ার স্থান। মুজাহিদ (রঃ) (আরবী)-এটুকু বেশী করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, (আরবী) -এর অর্থ হচ্ছে অর্থাৎ মুক্তি। তাঁর আর একটি বর্ণনায় (আরবী) অর্থাৎ সাহায্য রয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক (রঃ) বলেছেন যে, (আরবী) দ্বারা (আরবী) অর্থাৎ সত্য ও মিথ্যার মধ্যে ফায়সালা বুঝানো হয়েছে। ইবনে ইসহাক (রঃ)-এর এই তাফসীর পূর্ববর্তী তাফসীরগুলো হতে বেশী সাধারণ। কেননা, যে আল্লাহকে ভয় করবে এবং তার নিষেধাজ্ঞা থেকে দূরে থাকবে সে সত্য ও মিথ্যার পরিচয় লাভের তাওফীক প্রাপ্ত হবে। এটা হবে তার মুক্তি ও সাহায্য লাভের কারণ। তার পাপরাশি ক্ষমা করে দেয়া হবে। আল্লাহ তা'আলা গাফফার (বড় ক্ষমাশীল) এবং সাত্তার (দোষত্রুটি গোপনকারী) হয়ে যাবেন। আল্লাহর কাছে বড় পুরস্কার পাওয়ার সে হকদার হয়ে যাবে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ “হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর রাসূল (সঃ)-এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমত দ্বিগুণ প্রদান করবেন এবং তোমাদের জন্যে এমন নূরের ব্যবস্থা করে দিবেন যার আলোকে তোমরা পথ চলতে পারবে, আর তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন, তিনি বড় ক্ষমাশীল ও দয়ালু।”