واذ اخذنا ميثاقكم ورفعنا فوقكم الطور خذوا ما اتيناكم بقوة واسمعوا قالوا سمعنا وعصينا واشربوا في قلوبهم العجل بكفرهم قل بيسما يامركم به ايمانكم ان كنتم مومنين ٩٣
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَـٰقَكُمْ وَرَفَعْنَا فَوْقَكُمُ ٱلطُّورَ خُذُوا۟ مَآ ءَاتَيْنَـٰكُم بِقُوَّةٍۢ وَٱسْمَعُوا۟ ۖ قَالُوا۟ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَأُشْرِبُوا۟ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلْعِجْلَ بِكُفْرِهِمْ ۚ قُلْ بِئْسَمَا يَأْمُرُكُم بِهِۦٓ إِيمَـٰنُكُمْ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ٩٣
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
۳

মহান আল্লাহ বানী ইসরাঈলের পাপ, বিরোধিতা, অবাধ্যতা এবং সত্য হতে ফিরে যাওয়ার বর্ণনা দিচ্ছেন। তুর পাহাড়কে যখন তারা তাদের মাথার উপর দেখলো তখন সব কিছু স্বীকার করে নিলো। কিন্তু যখনই পাহাড় সরে গেল তখনই তারা অস্বীকার করে বসলো। এর তাফসীর পূর্বেই করা হয়েছে। বাছুরের প্রেম তাদের অন্তরে বদ্ধমূল হয়ে যায়। যেমন হাদীস শরীফে রয়েছেঃ ‘কোন জিনিসের ভালবাসা মানুষকে অন্ধ বধির করে দেয়।হযরত মূসা (আঃ) ঐ বাছুরটিকে কেটে টুকরা টুকরা করে পুড়িয়ে ফেলেন এবং ওর ছাই নদীতে ফেলে দেন। অতঃপর বানী ইসরাঈল নদীর পানি পান করলে তাদের উপর ওর ক্রিয়া প্রকাশ পায়। বাছুরটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয় বটে; কিন্তু তাদের অন্তরের সম্পর্ক ঐ বাতিল মাবুদের সঙ্গে থেকেই যায়। দ্বিতীয় আয়াতের ভাবার্থ এই যে, তারা কিরূপে ঈমানের দাবি করছে? তারা কি তাদের ঈমানের প্রতি লক্ষ্য করছে না? বার বার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের কথা কি তারা ভুলে গেছে? হযরত মূসা (আঃ)-এর সামনে তারা কুফরী করেছে, তার পরবর্তী নবীদের সাথে তারা শয়তানী করেছে, এমনকি সর্বশেষ ও সর্বোত্তম নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নবুওয়াতকেও তারা অস্বীকার করেছে। এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?