ان الذين يحبون ان تشيع الفاحشة في الذين امنوا لهم عذاب اليم في الدنيا والاخرة والله يعلم وانتم لا تعلمون ١٩
إِنَّ ٱلَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ ٱلْفَـٰحِشَةُ فِى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْـَٔاخِرَةِ ۚ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ١٩
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
۳

এটা হলো তৃতীয় সতর্কতা, যে ব্যক্তি এ ধরনের কথা শুনবে তার জন্যে ওটা ছড়িয়ে দেয়া হারাম। যারা এ রকম জঘন্য কথা ছড়িয়ে বেড়ায় তাদেরকে পার্থিব শাস্তি অর্থাৎ হদ লাগানো এবং পারলৌকিক শাস্তি অর্থাৎ জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। মহান আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। সুতরাং সমস্ত বিষয় আল্লাহ তাআলার দিকেই ফিরিয়ে দেয়া উচিত।হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা আল্লাহর বান্দাদেরকে কষ্ট দিয়ো না, তাদেরকে দোষারোপ করো না এবং তাদের গোপনীয় দোষ অনুসন্ধান করো না। যে তার মুসলমান ভাই-এর গোপনীয় দোষ অনুসন্ধান করবে আল্লাহ তা'আলাও তার গোপনীয় দোষের পিছনে লাগবেন এবং তাকে এমনভাবে লাঞ্ছিত করবেন যে, তাকে তার বাড়ীর লোকেরাও খারাপ দৃষ্টিতে দেখতে থাকবে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)