شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 17:98 تا 17:99
ذالك جزاوهم بانهم كفروا باياتنا وقالوا ااذا كنا عظاما ورفاتا اانا لمبعوثون خلقا جديدا ٩٨ ۞ اولم يروا ان الله الذي خلق السماوات والارض قادر على ان يخلق مثلهم وجعل لهم اجلا لا ريب فيه فابى الظالمون الا كفورا ٩٩
ذَٰلِكَ جَزَآؤُهُم بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًۭا وَرُفَـٰتًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقًۭا جَدِيدًا ٩٨ ۞ أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّهَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ قَادِرٌ عَلَىٰٓ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ وَجَعَلَ لَهُمْ أَجَلًۭا لَّا رَيْبَ فِيهِ فَأَبَى ٱلظَّـٰلِمُونَ إِلَّا كُفُورًۭا ٩٩
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
۳

৯৮-৯৯ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ অস্বীকারকারীদের যে শাস্তির বর্ণনা দেয়া হয়েছে। তারা ওরই যোগ্য ছিল। তারা আমার দলীল প্রমাণাদিকে মিথ্যা মনে করতো এবং পরিষ্কারভাবে বলতোঃ আমরা পচা অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও কি নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হবো? এটাতো আমাদের জ্ঞানে ধরে না। তাদের এই প্রশ্নের জবাবে মহামহিমান্বিত আল্লাহ একটি দলীল এই পেশ করেছেন যে, বিরাট আসমানকে বিনা নমুনাতেই প্রথমবার সৃষ্টি করতে পেরেছেন, যার প্রবল ক্ষমতা এই উচ্চ ও প্রশস্ত এবং কঠিন মাখলুককে সৃষ্টি করতে অপারগ হয় নাই, তিনি কি তোমাদেরকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে অপারগ হয়ে যাবেন? আসমান ও যমীন সৃষ্টি করা তোমাদের সৃষ্টি অপেক্ষা অনেক কঠিন ছিল। এগুলি সৃষ্টি করতে তিনি যখন ক্লান্ত ও অপারগ হন নাই, তিনি মৃতকে পুনরুজ্জীবিত করতে অপারগ হয়ে যাবেন? আসমান ও যমীনের যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি কি মানুষকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম নন? অবশ্যই তিনি সক্ষম। তিনি মহাস্রষ্টা, অতিশয় জ্ঞানী। যখন তিনি কোন বস্তুকে (সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করেন, তখন তার দস্তুর এই যে, তিনি এ বস্তুকে বলেনঃ হয়ে যা, তেমনি তা হয়ে যায়। বস্তুর অস্তিত্বের জন্যে তার হুকুমই যথেষ্ট। কিয়ামতের দিন তিনি মানুষকে দ্বিতীয় বার নতুন ভাবে সৃষ্টি অবশ্যই করবেন। তিনি তাদেরকে কবর হতে বের করার ও পুনরুজ্জীবিত করার সময় নির্ধারণ করে রেখেছেন। এ সময় এগুলো সবই হয়ে যাবে। এখানে কিছুটা বিলম্বের কারণ হচ্ছে শুধু ঐ সময়কে পুর্ণ করা। বড়ই আফসোসের বিষয় এই যে, এতো স্পষ্ট ও প্রকাশমান দলীলের পরেও মানুষ কুফরী ও ভ্রান্তিকে পরিত্যাগ করে না।