افامنتم ان يخسف بكم جانب البر او يرسل عليكم حاصبا ثم لا تجدوا لكم وكيلا ٦٨
أَفَأَمِنتُمْ أَن يَخْسِفَ بِكُمْ جَانِبَ ٱلْبَرِّ أَوْ يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًۭا ثُمَّ لَا تَجِدُوا۟ لَكُمْ وَكِيلًا ٦٨
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
۳

বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহ স্বীয় বান্দাদেরকে ভয় প্রদর্শন করতে গিয়ে বলছেনঃ যে আল্লাহ তোমাদেরকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিতে পারতেন তিনি কি তোমাদেরকে যমীনে ধ্বসিয়ে দিতে সক্ষম নন? নিশ্চয়ই তিনি সক্ষম। তাহলে সমুদ্রে তো তোমরা একমাত্র তাঁকেই ডেকে থাকো। আবার এখানে তাঁর সাথে অন্যদেরকে শরীক করছো, এটা কত বড়ই না অবিচার! তিনি তো তোমাদেরকে তোমাদের উপর পাথর বর্ষণ করে ধ্বংস করতে পারেন, যেমন হযরত লূতের (আঃ) কওমের উপর বর্ষিত হয়েছিল? যার বর্ণনা স্বয়ং কুরআন কারীমের মধ্যে কয়েক জায়গায় রয়েছে।সূরায়ে মুলকে রয়েছেঃ “তোমরা কি তার হতে যিনি আসমানে রয়েছেন নিশ্চিন্ত রয়েছে যে, তিনি তোমাদেরকে যমীনের মধ্যে ধ্বসিয়ে দেন, অতঃপর ঐ যমীন থর থর করতে থাকে? নাকি তোমরা নির্ভয় হয়ে গেছে এটা হতে যে, যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের প্রতি এক প্রচণ্ড বায়ু প্রেরণ করে দেন? সূতরাং তোমরা অচিরেই জানতে পারবে যে, আমার ভয় প্রদর্শন কিরূপ ছিল।”এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ঐ সময় তোমরা পাবে না কোন সাহায্যকারী, বন্ধু, কর্মবিধায়ক এবং রক্ষক।