আল্লাহ তাআলা ওয়াদা করছেনঃ “আমার যে সব বান্দা অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সঃ) উপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখে এবং কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাতে রাসূলিল্লাহ (সঃ)-কে সামনে রেখে ভাল কাজ করতে থাকে, আমি তাদেরকে দুনিয়াতেও উত্তম ও পবিত্র জীবন দান করবো, সুখে-শান্তিতে তারা জীবন যাপন করবে, তারা পুরুষই হোক বা নারীই হোক, আর আখেরাতেও তাদেরকে তাদের সৎ আমলের উত্তম প্রতিদান প্রদান করবো। তারা দুনিয়ায় পবিত্র ও হালাল জীবিকা, সুখ সম্ভোগ, মনের তৃপ্তি, ইবাদতের স্বাদ, আনুগত্যের মজা ইত্যাদি সবই আমার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত হবে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “ঐ ব্যক্তি সফলকাম হলো যে মুসলমান হলো, বরাবরই তাকে জীবিকা দান করা হলো এবং আল্লাহ তাকে যা দিলেন তাতেই সন্তুষ্ট থাকলো। (হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ফুযালা ইবনু আবীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহকে (সঃ) বলতে শুনেছেনঃ “যাকে ইসলামের জন্যে হিদায়াত দান করা হয়েছে, পেট পালনের জন্যে রুজী দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তাতেই সন্তুষ্ট হয়েছে, সে সফলকাম হয়েছে। (এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রঃ) ও ইমাম নাসায়ী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তাআলা তাঁর মুমিন বান্দার উপর যুলুম করেন না। বরং তার সৎ কাজের পূণ্য তাকে দেন। আর কাফির তার ভাল কাজের প্রতিদান দুনিয়াতেই পেয়ে যায়, আখেরাতে তার জন্যে কোন অংশ বাকী থাকে না।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম (রঃ) একাই এটা তাখরীজ করেছেন)