Estás leyendo un tafsir para el grupo de versículos 24:4 hasta 24:5
والذين يرمون المحصنات ثم لم ياتوا باربعة شهداء فاجلدوهم ثمانين جلدة ولا تقبلوا لهم شهادة ابدا واولايك هم الفاسقون ٤ الا الذين تابوا من بعد ذالك واصلحوا فان الله غفور رحيم ٥
وَٱلَّذِينَ يَرْمُونَ ٱلْمُحْصَنَـٰتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا۟ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَآءَ فَٱجْلِدُوهُمْ ثَمَـٰنِينَ جَلْدَةًۭ وَلَا تَقْبَلُوا۟ لَهُمْ شَهَـٰدَةً أَبَدًۭا ۚ وَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَـٰسِقُونَ ٤ إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَأَصْلَحُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ٥
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

৪-৫ নং আয়াতের তাফসীরএই আয়াতে ব্যভিচারের অপবাদদাতাদের শাস্তির বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ঘোষণা করা হচ্ছেঃ যারা কোন স্ত্রীলোক বা পুরুষ লোকের উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয় তাদের শাস্তি হলো এই যে, তাদেরকে আশিটি চাবুক মারতে হবে। হ্যা, তবে যদি তারা সাক্ষী হাযির করতে পারে তবে এ শাস্তি হতে তারা বেঁচে যাবে। আর যাদের অপরাধ প্রমাণিত হবে তাদের উপর হদ জারী করা হবে। যদি তারা সাক্ষী আনয়নে ব্যর্থ হয় তবে তাদেরকে আশিটি চাবুক মারা হবে এবং ভবিষ্যতে চিরদিনের জন্যে তাদের সাক্ষ্য অগ্রাহ্য হবে। তাদেরকে ন্যায়পরায়ণ বলা হবে না। বরং সত্যত্যাগী বলা হবে। এই আয়াতে যে লোকগুলোকে স্বতন্ত্র করে দেয়া হয়েছে তাদের সম্পর্কে কেউ কেউ বলেন যে, এই স্বাতন্ত্র শুধুমাত্র ফাসেক না হওয়ার ব্যাপারে। অর্থাৎ তাওবার পরে তারা আর ফাসেক থাকবে না। আবার অন্য কেউ বলেন যে, তাওবার পরে তারা ফাসেকও থাকবে না এবং তাদের সাক্ষ্য অগ্রাহ্যও হবে না। বরং পুনরায় তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। হ্যা, তবে হদ যে রয়েছে তা তাওবা দ্বারা কোনক্রমেই উঠে যাবে না। ইমাম মালিক (রঃ), ইমাম আহমাদ (রঃ) এবং ইমাম শাফেয়ী (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, তাওবার মাধ্যমে সাক্ষ্য অগ্রাহ্য হওয়া এবং তার সত্যত্যাগী হওয়া দুটোই উঠে যাবে। তাবেয়ীদের নেতা হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়াব (রাঃ) এবং পূর্বযুগীয় গুরুজনদের একটি জামাআতের মাযহাব এটাই। কিন্তু ইমাম আবু হানীফা (রঃ) বলেন যে, তাওবার পরে সে শুধুমাত্র ফাসেক থাকবে না, কিন্তু এর পরেও তার সাক্ষ্য গৃহীত হবে না। আরো কেউ কেউ একথাই বলেন। শা'বী (রঃ) এবং যহহাক (রঃ) বলেন যে, যদি সে তার পূর্বের অপবাদ দেয়ার কথা স্বীকার করে নেয় এবং পরে পূর্ণভাবে তাওবা করে নেয়ার কথা বলে তবে এর পরে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।