واذا لم تاتهم باية قالوا لولا اجتبيتها قل انما اتبع ما يوحى الي من ربي هاذا بصاير من ربكم وهدى ورحمة لقوم يومنون ٢٠٣
وَإِذَا لَمْ تَأْتِهِم بِـَٔايَةٍۢ قَالُوا۟ لَوْلَا ٱجْتَبَيْتَهَا ۚ قُلْ إِنَّمَآ أَتَّبِعُ مَا يُوحَىٰٓ إِلَىَّ مِن رَّبِّى ۚ هَـٰذَا بَصَآئِرُ مِن رَّبِّكُمْ وَهُدًۭى وَرَحْمَةٌۭ لِّقَوْمٍۢ يُؤْمِنُونَ ٢٠٣
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
undefined
3

আল্লাহ পাক বলেনঃ হে নবী (সঃ)! যখন এই লোকগুলো কোন মুজিযা এবং নিদর্শন দেখতে চায় এবং তা তুমি তাদের সামনে পেশ কর না তখন তার বলে- ‘কোন নিদর্শন আপনি পেশ করছেন না কেন? নিজের পক্ষ থেকে তা বানিয়ে নিচ্ছেন না কেন? অথবা কেন আপনি আকাশ থেকে কোন নিদর্শন টেনে আনছেন না?' এই আয়াত দ্বারা মুজিযা বা অলৌকিক ব্যাপার বুঝানো হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি ইচ্ছে করলে আকাশ থেকে মুজিযা অবতীর্ণ করতে পারি যা দেখে তাদের গ্রীবা ঝুঁকে পড়বে। এই কাফিররাও আমার রাসূল (সঃ)-কে বলে- আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন লাভ করার চেষ্টা আপনি করেন না কেন? তাহলে আমরা তা দেখে ঈমান আনতাম! তাই আল্লাহ পাক বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি বলে দাও আমি এই ব্যাপারে আমার কিছুই চেষ্টা করতে চাই না। আমি তো একজন আল্লাহর বান্দা মাত্র! আমার কাছে যে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে আমি সেটাই পালনকারী। যদি তিনি স্বয়ং কোন মু'জিযা পাঠান তবে আমি তা পেশ করে দেবো। আর যদি তিনি তা প্রেরণ না করেন তবে আমি সেজন্যে জেদ বা হঠকারিতা করতে পারি না। তিনি আমাকে এ কথাই বলে দিয়েছেন যে, এই কুরআনই হচ্ছে সবচেয়ে বড় মু'জিযা। এর মধ্যে তাওহীদের দলীলগুলো এমন স্পষ্ট ও খোলাখখালিভাবে রয়েছে যে, তা স্বয়ং মু'জিযা হয়ে গেছে। তাই আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ এই কুরআনই হচ্ছে তোমার প্রতিপালকের বিরাট দলীল ও নিদর্শন বিশেষ, আর এটা ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে হিদায়াত ও অনুগ্রহের প্রতীক বিশেষ।